
মেডিকেল ভিসার জন্য আবেদন জমা দেয়ার শিডিউল নিতে স্লট সিস্টেম করে ভারতীয় দূতাবাস। কিন্তু সময় স্বল্পতা এবং নিয়মিত সার্ভারে কারিগরি ত্রুটি থাকায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও স্লট নিতে ব্যর্থ হচ্ছেন আবেদনকারীরা। ফলে দৌরাত্ম্য বেড়েছে দালালদের। এ ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনেও ভিসা না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন অসুস্থ ব্যক্তিরা।
ভিসার জন্য স্লট নেয়ার সমস্যা নিরসনে পদক্ষেপ নিয়েছে দূতাবাস। ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানান, আবেদনকারী অনলাইনে স্লট নিতে ব্যর্থ হলে বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আবেদনের কপি এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র ভারতীয় দূতাবাসের ১ নম্বর গেটে গিয়ে জমা করবেন। পরে সব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দূতাবাস ভিসা দেয়া জরুরি মনে করলে আবেদনকারীকে কল করে চূড়ান্তভাবে আবেদন জমার তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে।
দূতাবাসের দেয়া তারিখে যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারে মূল আবেদনপত্রসহ সব কাগজপত্র জমা করবেন আবেদনকারী। পরবর্তী সময়ে সাধারণ প্রক্রিয়ায় ভিসা প্রসেসিং করা হবে। এরপরও কোনো সমস্যা হলে ভারতীয় দূতাবাসে কথা বলার মাধ্যমে সঠিক পরামর্শ নেয়া যাবে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের সরকারি তথ্যমতে, ২০২৩ সালে ভারত ২০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশিকে ভিসা দিয়েছে, যার বেশির ভাগই চিকিৎসার কারণে। তবে গত আগস্টের পর থেকে ভারত দিনে এক হাজারেরও কম মেডিকেল ভিসা দিয়েছে। যদিও আগে এই সংখ্যা ছিল দৈনিক ৫-৭ সাত হাজার। মেডিকেল ভিসার হার ক্রমাগত কমতে থাকায় চীনের দিকে ঝুঁকছেন বাংলাদেশি রোগীরা।
তথ্যসূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর