Logo
×

Follow Us

অস্ট্রেলিয়া

নোম‍্যাড ভিসায় বাংলাদেশের কারা আবেদন করতে পারবেন?

Icon

ডিজিটাল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৫, ১৮:৫৮

নোম‍্যাড ভিসায় বাংলাদেশের কারা আবেদন করতে পারবেন?

শান্তির দেশ নিউজিল্যান্ড তাদের ভিসা নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে। সম্প্রতি এই পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘমেয়াদি দর্শনার্থী এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য বসবাসের সুযোগ সহজতর হচ্ছে। দেশটির সরকার ডিজিটাল নোম্যাড ভিসা চালু করেছে এবং গোল্ডেন ভিসা প্রোগ্রামের শর্তাবলি শিথিল করেছে, যার লক্ষ্য বিদেশি প্রতিভাবান কর্মী ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করা।

ডিজিটাল নোম‍্যাড ভিসা কী? কাদের দেয়া হচ্ছে?

ডিজিটাল নোম‍্যাড ভিসা মূলত এমন সব ব‍্যক্তির জন‍্য, যারা নিউজিল‍্যান্ডে না গিয়েও কাজ করবেন এবং তারা কোনো দেশে স্থায়ী হতে চান না, বরং বিভিন্ন দেশে বসবাস করতে চান। নতুন নিয়মে এসব বিদেশি কর্মী ৯০ দিন পর্যন্ত নিউজিল‍্যান্ডে থেকে কাজ করবেন। তারা ৯ মাস পর্যন্ত ভিসার সময় বাড়াতে পারবেন। তবে ৯ মাসের বেশি থাকলে সে জন‍্য অতিরিক্ত ট‍্যাক্স দিতে হবে। 

ডিজিটাল নোম‍্যাড ভিসায় আর কী কী সুবিধা আছে?

এই ভিসার জন‍্য ন্যূনতম আয়ের প্রয়োজন নেই। ভিসার আবেদন ফি হবে ১৯৩ মার্কিন ডলার বা ৩৪১ নিউজিল‍্যান্ড ডলার। এ মাসের মধ‍্যে এই ভিসার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ ছাড়া ১০০ ডলারের মতো লেভি চার্জ পরিশোধ করতে হতে পারে। 

তাহলে বাংলাদেশের কোন কোন পেশার মানুষ এই ডিজিটাল নোম‍্যাড ভিসার জন‍্য আবেদন করতে পারবেন?

অন্য দেশে বসে অনলাইনের মাধ্যমে আয় করতে পারেন এমন পেশার মানুষ এই ভিসার জন‍্য আবেদন করতে পারেন। বাংলাদেশের যেসব পেশার মানুষ এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন, তাদের মধ্যে রয়েছে:

১। আইটি ও প্রযুক্তি খাত:

সফটওয়্যার ডেভেলপার

ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভেলপার

সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ

ডেটা সায়েন্টিস্ট

গ্রাফিক ডিজাইনার

২। ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর:

ফ্রিল্যান্স লেখক ও ব্লগার

ইউটিউবার

পডকাস্টার

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার

ফটোগ্রাফার ও ভিডিওগ্রাফার

৩। ব্যবসা ও মার্কেটিং:

ডিজিটাল মার্কেটার

এসইও (SEO) বিশেষজ্ঞ

ই-কমার্স উদ্যোক্তা

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার

৪। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ:

অনলাইন টিউটর

কোর্স ক্রিয়েটর (Udemy, Coursera ইত্যাদির মাধ্যমে)

অনুবাদক

৫। পরামর্শক ও পরামর্শদান:

বিজনেস কনসালটেন্ট

আইনি পরামর্শক (যারা আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কাজ করেন)

আর্থিক পরামর্শক

ডিজিটাল নোম‍্যাড ভিসার বিষয়ে যা গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো: 

আবেদনকারীদের নিউজিল্যান্ডের কোনো নিয়োগকর্তার হয়ে কাজ করতে হবে না, বরং তারা নিজের দেশের বা অন্য আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের জন্য দূর থেকে কাজ করবেন।

ন্যূনতম আয়ের বাধ্যবাধকতা নেই, তবে নিজের খরচ চালানোর মতো অর্থ থাকতে হবে।

ভিসার আবেদন ফি প্রায় NZD $341 এবং 3.5 সপ্তাহের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার বা রিমোট কর্মী হন, তাহলে এই ভিসা আপনার জন্য দারুণ সুযোগ হতে পারে! 

Logo