Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

অর্থ পাচারকারিদের তথ‍্য দিন

প্রবাসীদের প্রতি গভর্নর

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, ১৪:০৫

অর্থ পাচারকারিদের তথ‍্য দিন

‘‌ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ: এনআরবি অ্যান্ড ইউএন পিসকিপার্স লিডিং দ্য ওয়ে’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

অর্থ পাচারে জড়িত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ধন-সম্পদ আছে কোথায়, সে বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য প্রবাসীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন গভর্নর। তিনি বলেন, চট্টগ্রামভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে ২০ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করেছে। দিনদুপুরে এমন চুরি পৃথিবীতে আর কোথাও হয়নি।

রাজধানীর একটি হোটেলে ১১ জানুয়ারি ‌ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ: এনআরবি (প্রবাসী বাংলাদেশী) অ্যান্ড ইউএন পিসকিপার্স লিডিং দ্য ওয়ে শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সেন্টার ফর নন রেসিডেন্ট বাংলাদেশী (এনআরবি)।

বিশ্বের কোথাও বাংলাদেশের মতো ব্যাংক খাত থেকে ঋণের নামে অর্থ পাচারের মাধ্যমে এত বড় আকারে অর্থ লুটের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন ড. আহসান এইচ মনসুর। তবে মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশে কিছু অনিয়ম হয়েছে, যা বাংলাদেশের তুলনায় খুবই নগণ্য বলেও জানান তিনি।

বর্তমানে বিদেশী মুদ্রার রিজার্ভ দিয়ে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে জানান গভর্নর। তিনি বলেন, ‌গত ছয় মাসে ৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেয়েছে। রফতানি আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। প্রশিক্ষিত কর্মী বিদেশে পাঠাতে পারলে রেমিট্যান্স বছরে ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।

সম্প্রতি সৌদি আরবকে টপকে রেমিট্যান্স পাঠানোয় শীর্ষে উঠে এসেছে দুবাই। এটাকে আশঙ্কাজনক উল্লেখ করে গভর্নর জানান, সৌদি আরব থেকে অর্থ প্রথমে দুবাই আসছে। সেখান থেকে বাংলাদেশে আসছে। দুবাইয়ের কিছু প্রতিষ্ঠান এ সুযোগে মুদ্রা বিনিময় হারে কারসাজি করার চেষ্টা করছে।

অনুষ্ঠানে রেমিট্যান্স সংগ্রহের জন্য শীর্ষ ১০টি ব্যাংককে সম্মাননা দেয়া হয়। ব্যাংকগুলো হলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক।


তথ্যসূত্র: দৈনিক বণিক বার্তা ১২.০১.২০২৫

Logo