Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

পর্তুগালে চাকরি ও বসবাস: বাংলাদেশিরা কিভাবে আবেদন করবেন?

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৫৬

পর্তুগালে চাকরি ও বসবাস: বাংলাদেশিরা কিভাবে আবেদন করবেন?

পর্তুগাল বর্তমানে ইউরোপে বসবাস ও কাজের জন্য বাংলাদেশিদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, দক্ষ ও অদক্ষ উভয় ধরনের শ্রমিকদের জন্য পর্তুগালের শ্রমবাজার বেশ উন্মুক্ত। তবে, সঠিক নিয়ম মেনে ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট আবেদন করতে না পারলে প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

পর্তুগালে কাজের সুযোগ

পর্তুগালে কৃষি, নির্মাণ, পর্যটন ও সেবা খাতে বাংলাদেশিদের জন্য প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও, আইটি, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য পেশাদার ক্ষেত্রেও চাকরির সুযোগ বাড়ছে।

পর্তুগালের জন্য কোন ভিসা দরকার?

বাংলাদেশিরা সাধারণত নিচের ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন:

✅    শ্রমিক ভিসা (Work Visa): যারা পর্তুগালে চাকরি করতে চান, তাদের জন্য এই ভিসা প্রয়োজন।

✅    ডি-১ ভিসা: উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন পেশাদারদের জন্য।

✅    ডি-২ ভিসা: ব্যবসা ও উদ্যোক্তাদের জন্য।

✅    ডি-৭ ভিসা: যারা সেখানকার রেসিডেন্স পারমিট পেতে চান, তাদের জন্য।

পর্তুগালে কাজের জন্য কীভাবে ওয়ার্ক পারমিট পাবেন?

ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার জন্য প্রথমেই একটি বৈধ নিয়োগপত্র (Job Offer) দরকার। নিয়োগপত্র পাওয়ার পর নিয়োগকর্তা পর্তুগালের অভিবাসন দপ্তরে (SEF) অনুমোদনের জন্য আবেদন করবে। অনুমোদন হলে, বাংলাদেশ থেকে ভিসা আবেদন করা যাবে।

ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

📌 চাকরির অফার লেটার (পর্তুগিজ কোম্পানির কাছ থেকে)

📌 পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাসের মেয়াদ থাকতে হবে)

📌 পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট

📌 স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট

📌 ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ

📌 ভিসা আবেদন ফি জমার রসিদ

পর্তুগালে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়ম

✅    প্রথমে ১-২ বছরের জন্য ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া হয়।

✅    ৫ বছর পর স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (Permanent Residency) পাওয়া যায়।

✅    ৬ বছর পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়।

বাংলাদেশ থেকে কীভাবে আবেদন করবেন?

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগালের ওয়ার্ক ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিটের জন্য সরাসরি পর্তুগিজ দূতাবাসে আবেদন করা যায় না। এজন্য প্রথমে একটি চাকরির অফার নিশ্চিত করতে হবে এবং পর্তুগালের নিয়োগকর্তার মাধ্যমে অনুমোদন নিতে হবে।

সতর্কতা ও প্রতারণা এড়ানোর উপায়

⚠️ দালালের মাধ্যমে আবেদন না করাই ভালো।

⚠️ অতিরিক্ত টাকা চায় এমন কোনো এজেন্টের ফাঁদে পা দেবেন না।

⚠️ পর্তুগালের সরকার অনুমোদিত ওয়েবসাইট ও এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করুন।

⚠️ পর্তুগালে গিয়ে অবৈধভাবে থাকার চেষ্টা করবেন না, এতে ডিপোর্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

পর্তুগালে কাজের জন্য যেতে হলে সঠিক নিয়ম মেনে আবেদন করা জরুরি। ভুয়া তথ্য বা অবৈধ উপায়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হতে পারে। বৈধ নিয়োগপত্রের মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিট পেলে ভবিষ্যতে পর্তুগালে স্থায়ীভাবে বসবাস ও নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

মাইগ্রেশন কনসার্ন রিপোর্ট

Logo