
ভিসা প্রসেসিং এ বিলম্বের বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে, যেমন:
দরখাস্তের সংখ্যা ও ব্যাকলগ:
অনেক সময় নির্দিষ্ট সময়ে ভিসার আবেদন সংখ্যা বেশি
থাকায় ব্যাকলগ তৈরি হয়, যা প্রসেসিংয়ে দেরি হয়।
দরখাস্তে অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি বা অসম্পূর্ণ তথ্য:
আবেদনপত্রে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে তা যাচাই
করতে অতিরিক্ত সময় লাগে।
অতিরিক্ত নিরাপত্তা যাচাই:
নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যাকগ্রাউন্ড চেক ও অতিরিক্ত
পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনেক ক্ষেত্রে সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ডকুমেন্ট সংগ্রহ:
এম্বেসি বা কনস্যুলেট অতিরিক্ত তথ্য বা ডকুমেন্ট
চেয়ে থাকলে, সেগুলো সংগ্রহ ও যাচাই করতে বেশ সময় লাগে।
আন্তর্জাতিক বা রাজনৈতিক পরিস্থিতি:
কোনো রাজনৈতিক বা আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি থাকলে, যেগুলো
ভিসা নীতি ও প্রসেসিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে, তা প্রসেসিংকে ধীর করে দিতে পারে।
এই কারণগুলো ছাড়াও, প্রত্যেক দেশের ভিসা নীতি ও
প্রক্রিয়া আলাদা হওয়ায় বিলম্বের কারণ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
বিদেশ যাওয়ার জন্য ভিসা প্রসেসিং বিলম্ব হলে কিছু
পদক্ষেপ নিতে পারেন:
ভিসা অফিসের সাথে যোগাযোগ করুন: আপনার আবেদন সম্পর্কে
আপডেট জানার জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সাথে যোগাযোগ করুন। কখনও কখনও তারা
অতিরিক্ত তথ্য বা ডকুমেন্ট চেয়ে থাকে।
অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবহার করুন: বেশিরভাগ দূতাবাস
বা কনস্যুলেট অনলাইনে আবেদন ট্র্যাকিং পরিষেবা প্রদান করে। এটি ব্যবহার করে আপনি আপনার
ভিসার স্ট্যাটাস সম্পর্কে জানতে পারেন।
দ্রুত পরিষেবা চাইলে: যদি আপনি জরুরি পরিস্থিতিতে
থাকেন (যেমন চিকিৎসা বা ব্যবসায়িক প্রয়োজন), তখন আপনি বিশেষ দ্রুত প্রসেসিং বা এক্সপ্রেস
সার্ভিসের জন্য আবেদন করতে পারেন।
পুনরায় আবেদনের জন্য প্রস্তুতি নিন: যদি কোনও ত্রুটি
বা অপূর্ণতা থাকে, তাহলে প্রক্রিয়াটি পুনরায় শুরু করতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে, ভুলগুলি
ঠিক করে দ্রুত নতুনভাবে আবেদন করুন।
অতিরিক্ত সময় পরিকল্পনা করুন: ভিসা প্রসেসিং সময়ের
মধ্যে বিলম্ব হতে পারে, তাই যাত্রার তারিখের জন্য কিছু অতিরিক্ত সময় রেখে পরিকল্পনা
করুন।
এই পদক্ষেপগুলো ভিসা প্রসেসিং বিলম্ব হলে কিছুটা
সহায়ক হতে পারে।
মাইগ্রেশন
কনসার্ন রিপোর্ট