Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ফ্যামিলি মাইগ্রেশনে আগ্রহ মধ্যবিত্তের, জেনে নিন কোন দেশে যাবেন

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৫, ১১:৩৪

ফ্যামিলি মাইগ্রেশনে আগ্রহ মধ্যবিত্তের, জেনে নিন কোন দেশে যাবেন

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে সপরিবারে বিদেশে অভিবাসনের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পারিবারিক অভিবাসনের সুযোগ ও প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। তবে উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড ও মালয়েশিয়াকেই বেশিরভাগ বাংলাদেশী পছন্দের গন্তব্য হিসেবে আদর্শ মনে করছে।

অস্ট্রেলিয়া:

অস্ট্রেলিয়া পরিবারসহ অভিবাসনের জন্য জনপ্রিয় গন্তব্য। এখানে পারিবারিক ভিসার বিভিন্ন ক্যাটেগরি রয়েছে, যেমন পার্টনার ভিসা, প্যারেন্ট ভিসা, চাইল্ড ভিসা ইত্যাদি। স্কিলড মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাওয়া যায়। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা এবং কাজের অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করা হয়। সাধারণত ২৫ থেকে ৩২ বছর বয়সীদের জন্য সর্বোচ্চ পয়েন্ট (৩০ পয়েন্ট) বরাদ্দ থাকে। ইংরেজি ভাষার দক্ষতার জন্য আইইএলটিএস পরীক্ষায় উচ্চ স্কোর প্রয়োজন। ন্যূনতম ৬৫ পয়েন্ট অর্জন করতে হয় পয়েন্ট ভিত্তিক সিস্টেমে।

নিউজিল্যান্ড:

নিউজিল্যান্ডেও পারিবারিক অভিবাসনের সুযোগ রয়েছে। স্কিলড মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা এবং ইংরেজি ভাষার দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়। বয়সসীমা সাধারণত ৫৫ বছরের মধ্যে হতে হয়। আইইএলটিএস পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬.৫ স্কোর প্রয়োজন।

কানাডা:

কানাডা ফ্যামিলি স্পনসরশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে পারিবারিক অভিবাসনের সুযোগ প্রদান করে। স্থায়ী বাসিন্দা বা নাগরিকরা তাদের স্ত্রী/স্বামী, সন্তান, পিতামাতা এবং নির্ভরশীল আত্মীয়দের স্পনসর করতে পারেন। স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রামের মাধ্যমে অভিবাসনের জন্য বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা এবং ইংরেজি বা ফরাসি ভাষার দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়।

মালয়েশিয়া:

মালয়েশিয়ায় বিজনেস রেসিডেন্স ভিসার মাধ্যমে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে স্থানীয় কোম্পানির অধীনে বিজনেস রেসিডেন্স ভিসা নিলে পাঁচ বছর পরে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিক থাকলে ৩০ থেকে ৪০ দিনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

প্রতিটি দেশের অভিবাসন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন। সপরিবারে অভিবাসনের পরিকল্পনা করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের অভিবাসন নীতিমালা, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞ পরামর্শ গ্রহণ এবং সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ অভিবাসন প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে পারে।

মাইগ্রেশন কনসার্ন রিপোর্ট

Logo