Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

সীমান্তে হত্যা ঠেকানোর উপায় খুঁজতে মোদিকে ড. ইউনূসের আহ্বান

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০:২৯

সীমান্তে হত্যা ঠেকানোর উপায় খুঁজতে মোদিকে ড. ইউনূসের আহ্বান

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বহুল প্রতীক্ষিত ইউনূস-মোদি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাতে দুই দেশের মধ্যকার নানা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। ভারতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়েছেন ড. ইউনূস। 

এছাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে সীমান্ত হত্যা নিয়ে কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ড ঘটলে আমি কষ্ট পাই। ভারতকে এই ঘটনাগুলো ঠেকানোর ‘উপায়’ খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সীমান্তে প্রাণহানির সংখ্যা কমাতে একসঙ্গে কাজ করলে শুধু অনেক পরিবারই বড় ধরনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে তা নয়, বরং আস্থা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে সাহায্য করবে।’

এর জবাবে নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীরা আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালায়। ভারতীয় ভূখণ্ডেও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন উভয় নেতা।

শুক্রবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ অনুরোধ জানান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গত বছরের আগস্টে ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এটাই তার প্রথম বৈঠক। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ৪০ মিনিটের এ বৈঠকে দুই সরকারপ্রধানের আলোচনা ছিল খুবই আন্তরিক।

বাংলাদেশে হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে ভারতের উদ্বেগের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এর জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার খবরগুলো অতিরঞ্জিত এবং ‘বেশির ভাগই ভুয়া’ খবর। এ বিষয়ে প্রকৃত খবর নিতে তিনি নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশে সাংবাদিক পাঠানোর অনুরোধ করেন, যেন তারা এখানে এসে ‘কথিত এসব হামলার’ অনুসন্ধান করতে পারেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনি দেশে ধর্মীয় ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার প্রতিটি ঘটনা পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করেছেন এবং তার সরকার এ ধরনের ঘটনা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে। উভয় নেতা একে অপরের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে বৈঠক শেষ করেন।

এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল

Logo