
ডিজিটাল রেমিট্যান্স পরিষেবা সংস্থা রেমিটলির মতে, ২০২৫ সালে অভিবাসীদের স্থানান্তরের জন্য শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় গ্রিসের নাম রয়েছে। অভিবাসন সূচকের প্রথম সংস্করণে কোম্পানিটি বিশ্বের ৮২টি দেশের মধ্যে ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে স্থান নির্ধারণ করেছে, যা ২০২৫ সালে তাদের সামগ্রিক অভিবাসন আবেদনের স্থান নির্ধারণের জন্য ১০০-এর মধ্যে একটি বিস্তৃত স্কোর প্রদান করে।
গ্রিস সরকার সম্প্রতি অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন এনে অনিয়মিত অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ প্রদান করেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের অভিবাসীরা এই সুযোগের আওতায় আসবেন।
বৈধকরণের শর্তাবলি:
আবেদনপত্র জমা : আগ্রহী অভিবাসীদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
আবাসিক পারমিট : বৈধতা প্রাপ্তির পর অভিবাসীরা তিন বছরের আবাসিক পারমিট এবং কাজ করার অধিকার পাবেন।
পরিবারের অন্তর্ভুক্তি : আবেদনকারীর স্ত্রী/স্বামী ও সন্তানরা ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির আগে গ্রিসে উপস্থিত থাকলে তাদেরও বৈধতা প্রদান করা হবে।
কাজের সুবিধা:
মৌসুমি কাজের সুযোগ : গ্রিসে মৌসুমি কর্মী হিসেবে সর্বোচ্চ ছয় মাস কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়। কৃষি ও পশুসম্পদ সেক্টরে মৌসুমি কাজের জন্য নিয়োগকর্তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জমা দেন, যেখানে কর্মসংস্থানের সময়কাল, পদের সংখ্যা এবং কর্মচারীদের বিবরণ উল্লেখ থাকে।
শ্রমবাজারে অভিবাসীদের চাহিদা : গ্রিসে বর্তমানে প্রায় তিন লাখ অভিবাসী কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। সরকার অভিবাসীদের আনতে অনুমোদন দিলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে অল্পসংখ্যক ব্যক্তি গ্রিসে আসতে সক্ষম হন।
তথ্যসূত্র: অনলাইন