Logo
×

Follow Us

ইউরোপ

নতুন অভিবাসন আইন কঠোর করলো লাটভিয়া; সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৫৪

নতুন অভিবাসন আইন কঠোর করলো লাটভিয়া; সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর

উত্তর ইউরোপের দেশ লাটভিয়া চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তৃতীয় দেশের নাগরিকদের (অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের ভ্রমণকারীরা) জন্য নতুন ও কঠোর প্রবেশ নিয়ম চালু করতে যাচ্ছে। যাদের লাটভিয়ার ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট নেই, তাদের জন্য আগাম নিরাপত্তা যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন নিয়মে কী কী লাগবে?

ভ্রমণের কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা আগে নিচের তথ্য জমা দিতে হবে:

- সফরের উদ্দেশ্য

- অবস্থানের সম্ভাব্য সময়কাল

- গন্তব্যস্থল

- ভ্রমণ পথ

- যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য

এছাড়া জানতে চাওয়া হবে:

- আত্মীয়স্বজনের মধ্যে কেউ কি রাজনৈতিক বা সামরিক পদে ছিলেন?

- তারা কি স্পেশাল সার্ভিস, কাস্টমস, সীমান্তরক্ষা বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন?

বিশেষ নজরে রাশিয়া ও বেলারুশ:

লাটভিয়ান সংসদ জানিয়েছে, এই বিধিনিষেধ বিশেষভাবে রাশিয়া ও বেলারুশ থেকে আগতদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কারণ, অন্যান্য কিছু ইইউ দেশ এই দুই দেশের নাগরিকদের যথেষ্ট নিরাপত্তা যাচাই ছাড়াই প্রবেশ করতে দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

ডিপ্লোম্যাট ও সরকারি অতিথিদের জন্য ছাড়:

নতুন নিয়ম থেকে কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী এবং সংক্ষিপ্ত অফিসিয়াল সফরের ভ্রমণকারীরা ছাড় পাবেন।

টেম্পোরারি রেসিডেন্স পারমিটেও সীমাবদ্ধতা:

নতুন আইনের অধীনে লাটভিয়ার অস্থায়ী রেসিডেন্স পারমিট কেবল দুই মাস পর্যন্ত বৈধ থাকবে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে কড়াকড়ি:

২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে লাটভিয়া তার সীমান্ত নিরাপত্তা কঠোর করেছে। রাশিয়া ও বেলারুশের বিরুদ্ধে ভিসা ইস্যু বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দেশটি তাদের পূর্ব সীমান্তে আরও কঠোর নজরদারি করছে।

ভ্রমণকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

ভ্রমণের আগে প্রস্তুত থাকুন: নির্ধারিত তথ্য ভ্রমণের ৪৮ ঘণ্টা আগে জমা দিন

সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করুন: লাটভিয়ান ইমিগ্রেশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নিয়ম জেনে নিন

লাটভিয়ার নতুন নিরাপত্তা নীতির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের ভ্রমণকারীদের আরো আগেই প্রস্তুতি নিতে হবে। বিশেষ করে রাশিয়া ও বেলারুশের নাগরিকদের জন্য কঠোর যাচাই প্রক্রিয়া চালু হচ্ছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সময়মতো নিয়ম জানুন ও প্রস্তুতি নিন।

তথ্যসূত্র: লাটভিয়ান পার্লামেন্ট ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষ

Logo