
লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ থাকায় বিশ্বের বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। ২১ মার্চ ২০২৫ তারিখে নিকটবর্তী একটি বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ফলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে বিমানবন্দরটি বন্ধ রাখতে হয়।
এই পরিস্থিতিতে হিথ্রো বিমানবন্দরে নির্ধারিত ১,৩৫১টি ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বিত হয়েছে, যা প্রায় ২ লাখ ৯১ হাজার যাত্রীর যাত্রা পরিকল্পনা সমস্যায় পড়েছে। ফ্লাইট বাতিল ও পুনঃনির্ধারণের কারণে অন্যান্য বিমানবন্দরেও অতিরিক্ত চাপ পড়েছে, যা বিশ্বব্যাপী বিমান চলাচলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশের জাতীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের লন্ডনগামী একটি ফ্লাইট মাঝপথ থেকে ঢাকায় ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর থেকে আসা ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের সাতটি ফ্লাইটকে ফিরে যেতে হয়েছে বা অন্য বিমানবন্দরে অবতরণ করতে হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হিথ্রো বিমানবন্দরের এই সাময়িক বন্ধের ফলে বিমান পরিবহন শিল্পে আর্থিক ক্ষতি এবং যাত্রীদের ভোগান্তি বৃদ্ধি পাবে। ফ্লাইট সূচি পুনর্বিন্যাস এবং বাতিলকৃত ফ্লাইটের জন্য নতুন সময় নির্ধারণ করতে এয়ারলাইনগুলোকে অতিরিক্ত চাপ মোকাবিলা করতে হবে। এতে করে আগামী কয়েক দিন বিমান চলাচলে বিশৃঙ্খলা অব্যাহত থাকতে পারে।
এই ঘটনার পর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপনের জন্য কাজ করছে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এই ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়াতে বিমানবন্দরগুলোর জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
তথ্যসূত্র: অনলাইন