Logo
×

Follow Us

উত্তর আমেরিকা

আমেরিকায় আতংক

গ্রেফতার এড়ানোর উপায় জানালেন এ‍্যাটর্নি

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৫, ২১:১৩

গ্রেফতার এড়ানোর উপায় জানালেন এ‍্যাটর্নি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় বসার পর থেকেই অনথিভুক্ত অভিবাসীদের ওপর শুরু হয়েছে অভিযানের ঝড়। নিউইর্য়ক থেকে শুরু করে মিসৌরি, লস এঞ্জেলেস থেকে নিউ জার্সি সবখানে অভিযান চালাচ্ছে ফেডারেল ল ইনফোর্সমেন্ট এবং  ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস ইনফোর্সমেন্ট আইসের এজেন্টরা। 

নিউ ইর্য়কের বাঙালিদের অনেকেই বলছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ট্রাম্প প্রশাসন শুরুতেই তার তৎপরতা দেখিয়েছে সফলভাবে। ফলাফল ন্যাশনাল সিকুরিটি বলছে, গত তিন দিনে নিউ ইয়র্ক হয়েছে অপরাধ মুক্ত! যদিও এপর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন হাজার খানেক অবৈধ অভিবাসী। চার বাংলাদেশী গ্রেফতারের খবরও মিলেছে। গ্রেফতারকৃতদের অধিকাংশকেই দ্রুত গতিতে ফেরত পাঠানো হচ্ছে নিজ দেশে। ইতোমধ্যে মিলিটারি এয়ারক্রাফটে অবৈধ অভিবাসিদের নিয়ে দুটি ফ্লাইট গেছে গোয়াতেমালা এবং মেক্সিকোতে। ‌এসব ঘটনার পর, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে দেখা দিয়েছে আতংক। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত  বাংলাদেশীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক ভীতি। যদিও ইমেগ্রেশন আইনজীবি শাহরিয়ার আলম ধারনা দিয়েছেন, আইসের এজেন্টরা কাকে ধরতে পারে আর কাদের ধরবে না।  

নথিপত্রহীন মানুষ ছাড়াও উদ্বিগ্ন সময় কাটাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশী আশ্রয় প্রার্থী মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী এবং ভ্রমণ ভিসায় আসা লোকজন। কখন কাকে কোথা থেকে ধরবে, সেই উৎকণ্ঠায় দিন পার করছে বাংলাদেশ থেকে বি-ওয়ান, বি-টু, এফ-ওয়ান, এফ- টু এবং এইচ-ওয়ান বি ক্যাটাগরিতে আসা প্রবাসীরা। 

আতঙ্কে বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে কমে গেছে লোকসমাগম। অকারণ আড্ডা ও রাস্তাঘাটে অকারণে ঘুরে বেড়ানো মানুষের সংখ্যা এখন শূন্য। ইমিগ্রেশন আইনজীবী শাহরিয়ার আলম জানালেন, সর্তক থাকতে হবে অনথিভুক্ত প্রবাসী বাংলাদেশীদের।  

অভিবাসীদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সির, বাঙালি অধ্যুষিত স্টেট বাফেলোর মত এলাকাতেও সাঁড়াশি অভিযান চলছে, অভিযান চলছে বোস্টন, ডেনভার, ফিলাডেলফিয়া, আটলান্টা, সিয়াটল, ফ্লোরিডার মিয়ামি এবং ওয়াশিংটন, ডিসি-তেও। 

এদিকে, নিউ ইয়র্ক এর বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান নথিপত্রহীন মানুষদের জন্য কাজ করছে। ন্যাশনাল ইমিগ্রেশন ল সেন্টারসহ বিভিন্ন সংস্থা তাদের ওয়েবসাইটে পরামর্শ দিয়ে বলেছে, পরিচয় পত্রের সঙ্গে পরিবার অথবা বন্ধু-বান্ধব দু একজনের নাম্বার নিজের সংরক্ষণে রাখতে, যেন গ্রেপ্তার হলে তাদেরকে জানানো যায়।

Logo