আমেরিকার এইচ-১বি ভিসাধারীরা ভ্রমণের সময় দশটি ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখুন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৫, ১১:৩৮

গ্রিন কার্ড থাকা মানেই কেউ স্থায়ীভাবে মার্কিন মুলুকের বাসিন্দা হয়ে গেলেন- এমনটা ভাবলে ভুল হবে বলে জানিয়েছেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স। স্বভাবতই গ্রিন কার্ডধারী অভিবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে এই বক্তব্য। এরই মধ্যে আবার নতুন চাপ। বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এইচ-১বি ভিসা হোল্ডারদের চাপ বাড়তে পারে।
বৈধ কিংবা অবৈধ, অভিবাসীদের ক্ষেত্রে গত কয়েক দিনে ট্রাম্প সরকারের পদক্ষেপ শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এবার অভিবাসীদের স্ক্রুটিনি করবে অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয় দেখভালের দায়িত্বে থাকা এজেন্সিগুলো। তবে মার্কিন মুলুকের স্থায়ী বাসিন্দা বা বৈধ ভিসা আছে যাদের, তাদের এ রকম সমস্যায় পড়তে হবে না বলেই খবর।
ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS), ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট, ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ও কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের স্ক্যানারে আসবেন তারা। বাইরে যাওয়া এবং আমেরিকায় ফেরা, উভয় ক্ষেত্রেই খতিয়ে দেখা হবে।
কোনো অভিবাসীর কাছে গ্রিন কার্ড থাকা মানে এতদিন তিনি বৈধভাবে এবং স্থায়ীভাবে আমেরিকায় থাকার এবং কাজ করার অনুমতি পেতেন। কোনোভাবে তিনি যদি অভিবাসী আইন না ভাঙতেন, এই অধিকারে ‘হস্তক্ষেপ’ করা হতো না। তবে দ্বিতীয়বার ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসন নীতি নিয়ে কড়াকড়ি শুরু হয়েছে।
গ্রিন কার্ড হোল্ডার, এইচ-১বি, এফ-১ ভিসা হোল্ডারদের জন্য লিগ্যাল এক্সপার্টদের পরামর্শ, যখনই ট্র্যাভেল করছেন অবশ্যই চেক লিস্টে রাখুন—
- ১. হোম কান্ট্রির পাসপোর্ট
- ২. বৈধ গ্রিন কার্ড ডকুমেন্ট। কোনোভাবেই তা যেন মেয়াদ উত্তীর্ণ না হয়
- ৩. মেয়াদে থাকা এইচ-১বি বা এফ-১ ভিসা, যা আমেরিকায় একাধিকবার প্রবেশের অনুমতি দেয়
- ৪. এমপ্লয়মেন্ট ভেরিফিকেশন লেটার
- ৫. আমেরিকায় রি-এন্ট্রি পারমিট
- ৬. ডব্লিউ-২ ফর্ম, এক বছরের ফেডারেল ইনকাম ট্যাক্সের পেমেন্ট প্রুফ
- ৭. পে স্লিপ, স্যালারি স্লিপ বা ভ্যালিড ইনকাম প্রুফ শেষ তিন মাসের
- ৮. কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ক্ষেত্রে পড়াশোনার সময়সীমা সংক্রান্ত নথি
- ৯. US ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ভ্যালিড ডকুমেন্ট
- ১০. ভ্যালিড US ড্রাইভিং লাইসেন্স।
তথ্যসূত্র: এই সময় অনলাইন