Logo
×

Follow Us

অন্যান্য

আগে দাঁতের চিকিৎসা, পরে প্রবাস যাত্রা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:৩১

আগে দাঁতের চিকিৎসা, পরে প্রবাস যাত্রা

বিদেশে দাঁতের চিকিৎসার খরচ অনেক ও চিকিৎসাটি দীর্ঘ মেয়াদী।

একটি প্রবাদ আছে যে, বাঙালি দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝে না। কথাটার মর্মার্থ ভিন্ন হলেও আক্ষরিক অর্থে প্রবাদটি বাঙালিদের জন‍্য যুতসই। কারণ সময় মতো দাঁতের যত্ন বা চিকিৎসা নেয়ার বিষয়ে অনেকে থাকেন উদাসীন। অল্প খরচে যে চিকিৎসা করা সম্ভব ছিলো সেটা না করার কারণে পরে খরচ করতে হয় বিপুল অর্থ। এ বাস্তবতাটি কেবল বাঙালিদের জন‍্যই প্রযোজ‍্য না। বিদেশিরাও দাঁতের সমস‍্যায় ভোগেন। দাঁতের চিকিৎসায় তাদেরও বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হয়।দেশ থেকে বিদেশে, ছাত্র কিংবা শ্রমিক যারাই প্রবাসে যান তাঁরা বিষয়টি মর্মে মর্মে অনুধাবন করতে পারেন। কারণ দাঁতের চিকিৎসার খরচ অনেক ও চিকিৎসাটি দীর্ঘ মেয়াদী।


এমন কী যারা বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন, তারাও বিপদে না পড়লে সেখানে দাঁতে চিকিৎসা করান না। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ‍্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডায় বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশে বেড়ানোর সময় করিয়ে নেন দাঁতের চিকিৎসা করানো। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় দাঁতের চিকিৎসার খরচের উদাহরণ টানা যেতে পারে।দেশটিতে দাঁতের স্বাভাবিক পরীক্ষার খরচ অন্তত ১০০ ডলার। দাঁতে গর্ত হলে তা পূরণ করা বা ফিলিং করতে তাঁর খরচ ১৫০ থেকে ৩০০ ডলার। আর প্রতিটি দাঁতের রুট ক‍্যানেল করানোর খরচ ২০০০ থেকে ৩৫০০ ডলার। দুবাইয়ে প্রতি দাঁতের রুট ক‍্যানেলের সাধারণ খরচ ১৫০০ থেকে ৩০০০ দিরহাম, কানাডায় ৫০০ থেকে ১৫০০ ডলার আর মার্কিন ১০০০ থেকে ১৬০০ ডলার। 


দাঁতের চিকিৎসার ইস‍্যুরেন্স থাকলে খরচের বেলায় আপনি হয়তো খানিক সুবিধা পাবেন। তবে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের হেল্থ ইস‍্যুরেন্সে দাঁতের চিকিৎসা কাভার করে না। তখন খরচের ধাক্কা বহন করা শিক্ষার্থীদের জন‍্য কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে যারা প্রবাসে যাবার চিন্তা করছেন, শ্রমিক বা ছাত্র তাদের দাঁতের সমস‍্যা থাকলে দেশ থেকেই তা সারিয়ে করিয়ে নেয়া ভালো। যাতে বিদেশে গিয়ে অন্তত দুই এক বছর দাঁতের চিকিৎসা করাতে না হয়। দাঁতের সমস‍্যা নিয়ে বিদেশে গেলে এবং সেই চিকিৎসা সেখানে করতে বাধ‍্য হলে ফতুর হবার সম্ভবনা থাকে।


মাইগ্রেশন কনসার্ন রিপোর্ট

Logo