বিশ্বজুড়ে শেফের চাহিদা আকাশচুম্বী! কোথায় করবেন কোর্স?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০০:৫৫

বিশ্বের অনেক দেশে বাংলা খাবার জনপ্রিয়।
বর্তমানে ক্যারিয়ার নির্বাচনে শেফ পেশার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছেন উত্তরোত্তর। দেশের প্রতিটি জেলা শহরে বড় বড় হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট, গেস্ট হাউজ, ফাস্টফুড শপ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এসব প্রতিষ্ঠানে রান্নার জন্য অভিজ্ঞ শেফদের প্রয়োজন। আর দেশের বাইরে তো কথাই নেই!
বিশ্বের অনেক দেশে বাংলা খাবার জনপ্রিয়। বাংলাদেশি শেফরা দেশি, বিদেশি, চাইনিজ ও ইন্ডিয়ানসহ বিভিন্ন দেশের খাবার রান্না করা শিখে দেশের বাইরেও কাজ করছেন। একজন শেফ বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ছাড়াও চাকরি পেতে পারেন এয়ারলাইনস কোম্পানি, ট্যুর ও ট্রাভেল এজেন্সির কুক বিভাগে।
প্রশিক্ষিত শেফ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হলে ‘ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাকশন’ কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। এ কোর্সের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো বাংলাদেশি, ইতালিয়ান, চায়নিজ, ইউরোপিয়ান, ইন্ডিয়ান খাবার তৈরির প্রণালি, ডেকোরেশন, হাইজিন অ্যান্ড স্যানিটেশন। এসব বিষয়ে দুই মাসের কোর্স, ছয় মাস এবং এক বছরের সার্টিফিকেট কোর্স করে নিজেকে তৈরি করে নেওয়া যায়। তাছাড়া প্রফেশনাল শেফ কোর্স নামের ডিপ্লোমা কোর্স আছে। চাকরির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কোর্সগুলো বেশি গ্রহণযোগ্য। দেশে যে কয়েকটি জায়গায় পড়াশোনা করতে পারেন তা হলো ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ পর্যটন-মহাখালী, বাংলাদেশ হোটেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-গ্রিন রোড, ইনস্টিটিউট অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট, ধানমন্ডি, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ধানমন্ডি, রাজমণি ঈশা খাঁ হোটেল ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং কোর্স।
দুই মাস, ছয় মাস ও এক বছর মেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্সের সম্ভাব্য খরচ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন রকম। ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাকশন কোর্স সম্পন্ন করতে পারবেন ৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে। আর ডিপ্লোমা ইন প্রফেশনাল শেফ কোর্সের সম্ভাব্য খরচ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শেফ কোর্সের সম্ভাব্য খরচ একটু বেশি। সে ক্ষেত্রে, কোর্সের সঙ্গে ভিসার খরচ এবং ভাষা প্রশিক্ষণের খরচও যুক্ত করা হয়। বিভিন্ন শেফ কোর্সের ফি কিস্তিতে দেওয়া যায়।
দেশের বাইরে ভারত, জাপান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জার্মানিসহ আরও অনেক দেশেই বাংলাদেশি শেফরা কাজ করছেন। প্রশিক্ষণ শেষে দেশেও চাকরির জন্য খুব বেশি একটা কষ্ট করতে হয় না। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ চলাকালে ইন্টার্নি করারও সুযোগ থাকে। যে প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নি করেছেন, সেই প্রতিষ্ঠানেই ভালো পদে কাজ পেয়ে যান অনেকেই। ইন্টার্নির সুযোগকে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা হিসেবে ব্যবহার করে দেশে ও বিদেশে নিজের ভালো অবস্থান তৈরি করা যায়।
তথ্যসূত্র: দৈনিক দেশ রূপান্তর