
প্রত্যেক ব্যক্তিরই চেষ্টা থাকা উচিৎ তিনি যে পেশায় নিয়োজিত থাকবেন সেখানে সফলতা অর্জন করা। একজন অভিবাসী নারী যিনি গৃহ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত থাকবেন তাকে তার পেশায় সফল হবার জন্য কতগুলো বিষয় খেয়াল থাকা উচিৎ। পেশাদারিত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো মনে রাখা উচিৎ তা হলো, নিয়োগকর্তার কথা ও নির্দেশাবলী মনোযোগ দিয়ে শোনা, কোন বিষয় বা কাজ বুঝতে না পারলে পুনরায় জিজ্ঞেস করে নেয়া অথবা সম্ভব হলে প্রথম বার হাতে কলমে দেখিয়ে দেয়ার অনুরোধ করা। আত্মকর্মী সম্পর্ক উন্নতি অভিবাসী নারীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অন্য কোন সাহায্যকারী থাকলে তার সাথে কাজ সুনির্দিষ্টভাবে কাজ ভাগ করে নেয়া। নিজেকে জাহির করার প্রবনতা না থাকা। নিজেকে অবসাদগ্রস্ত (Dispressed) হতে না দেয়া এবং আবেগকে সংযত করা। নিজের সৃষ্টিশীল ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা।
অনেক সময় বাংলাদেশীদের মধ্য থেকেও কোন কোন ব্যক্তি নারীকর্মীকে ভাল বেতনের লোভ দেখিয়ে বা ভালবাসার প্রলোভন দেখিয়ে বের করে নিয়ে আসে এবং অর্থের বিনিময়ে পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয়। অতএব দূতাবাসের সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া কাজ বদলানো ঝুঁকিপূর্ণ।
সাধারণত
নারী অভিবাসী কর্মীর বিদেশে যেসব সমস্যা হয় তা হলোঃ
- বাড়ির জন্য খারাপ লাগা
- কাজে মনোযোগ দিতে না পারা
- সন্তানের কথা মনে হয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হওয়া
- নতুন পরিবেশ ও খাদ্যাভাসের সাথে অভ্যস্ত না হওয়া
- ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা
উপরোক্ত
সমস্যার সম্ভাব্য ফলাফলঃ
- ফেরত আসতে চাওয়া
- কাজের মনোযোগ নষ্ট হওয়া
- কাজের ক্ষতি করা
- কাজে মনোযোগ না থাকলে একজন কর্মী সঠিকভাবে কাজ করতে
পারেন না
- চাকরি হারানো
- ফিরে আসলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হওয়া
কাজেই
একজন নারী অভিবাসী কর্মীকে তার মনোকষ্ট দূর করতে সচেষ্ট হতে হবে। এক্ষেত্রে আগে থেকে
যদি তিনি সচেতন থাকেন এবং ভেবে-চিন্তে পদক্ষেপ নেন তাহলে তিনি সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবেলা
করতে পারবেন।
অন্যান্য
দেশের নারী কর্মীরা (যেমন- শ্রীলংকা, ফিলিপিন, ইন্ডিয়া) দীর্ঘদিন ধরে এই পেশায় সুনামের
সাথে কর্মরত আছেন। তারা তাদের কর্তব্য নিষ্ঠা, যোগ্যতা, সততা ও ব্যক্তিত্বের জন্য পেশাদারিত্ব
অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এর ফলে তাদের পারিশ্রমিকও তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
তথ্যসূত্র:
বাংলাদেশ কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইন্সটিটিউট