বিশ্বের কোন দেশগুলোতে বাংলাদেশী কর্মীর চাহিদা বেশী?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৩০

প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমান কর্মী ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যায়। এরমধ্যে কিছু দেশে বাংলাদেশের কর্মীদেরই চাহিদা বেশী। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য প্রবাসী কর্মীদের সংখ্যা প্রতি বছর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বছরওয়ারি
প্রবাসী কর্মীর সংখ্যা:
২০২২
সাল: প্রায় ১১.৩৫ লাখ বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যান, যা দেশের
ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যা।
২০২৩
সাল: প্রায় ১৩ লাখ বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে গেছেন, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় দুই লাখ বেশি।
২০২৪
সালে, বাংলাদেশ থেকে বৈধ কর্মসংস্থানের জন্য মোট ১০,১১,৮৫৬ জন কর্মী বিভিন্ন দেশে গেছেন,
যা দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ বার্ষিক সংখ্যা। সে বছর বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীরা
মোট ২৬.৮৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করেছে।
আমারে
কর্মীরা যে দেশগুলোতে যায়:
সৌদি
আরব: ২০২৪ সালে সর্বাধিক ৬,২৮,০০০ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ করেছে, যা একক বছরে সর্বোচ্চ নিয়োগ।
মালয়েশিয়া:
২০২২ সালের আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৪,৫০,০০০ বাংলাদেশি কর্মী
মালয়েশিয়ায় গেছেন।
সংযুক্ত
আরব আমিরাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী নিয়োগ পাচ্ছেন। এছাড়া ওমান, কাতার, কুয়েত ও
বাহরাইনেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে
গিয়েছে।
যে
সমস্ত পেশায় মূলত বেশীরভাব কর্মী বিদেশ যান সেগুলো হলো:
শ্রমিক:
সাধারণ নির্মাণ শ্রমিক, কারখানা শ্রমিক ইত্যাদি।
গৃহকর্মী:
গৃহস্থালী কাজের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত।
ড্রাইভার,
ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার: বিভিন্ন কারিগরি পেশায় কর্মরত।
স্বাস্থ্যসেবা
পেশাজীবী: নার্স, চিকিৎসাকর্মী ইত্যাদি।
বিদেশে
কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের বয়সসীমা প্রধানত ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে
১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ কর্মীরাও নিয়োগ পাচ্ছেন, বিশেষ করে গৃহকর্মী ও কারিগরি
পেশায়।
মাইগ্রেশন কনসার্ন রিপোর্ট