তুরস্ক সরকারের বৃত্তি: টিউশন ফি, উপবৃত্তি, বিমান টিকিট ফ্রি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:৩৪

তুরস্ক বিশ্ববাসীর কাছে সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্বের জন্য অন্যতম পরিচিত একটি দেশ। ইউরোপ ও এশিয়া মাঝখানে অবস্থিত সমৃদ্ধ দেশটি বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নানা ধরণের বৃত্তি দেয়। এমনি একটি স্কলারশিপ তুরস্ক সরকারি বৃত্তি বা তুর্কিয়ে বুরস্লারি। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, মাস্টার্স ও পিএইচডির জন্য মিলবে বৃত্তি। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারেন।
বায়োটেকনোলজি, বিভিন্ন প্রকৌশল ক্ষেত্র
(কম্পিউটার, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ), বায়োকেমিস্ট্রি, জীববিদ্যা, পদার্থবিদ্যা,
খাদ্য প্রকৌশল, গণিত, মেডিসিনসহ হাজারের বেশি প্রোগ্রামে পড়ার সুযোগ মেলে তুরস্ক সরকারের এই বৃত্তিতে। ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের
জন্য তুরস্ক সরকারের এই বৃত্তিটি মেধাবী বিদেশি শিক্ষার্থীদের দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়ার সুযোগ করে দেয়। এই বৃত্তির আওতায় মাসিক উপবৃত্তি, ফ্রি টিউশন ফি, যাতায়াতের বিমান
টিকিট, স্বাস্থ্যবিমা, বাসস্থানসহ বিভিন্ন খরচ বহন করে তুরস্ক সরকার।
বৃত্তির সুবিধা: ফ্রি টিউশন ফি, মাসিক
উপবৃত্তি, স্বাস্থ্যবিমা, বাসস্থান,যাওয়াতের বিমান টিকিট, এক বছরের তুর্কি ভাষাশিক্ষা
কোর্স
মাসিক উপবৃত্তির পরিমাণ: আন্ডারগ্র্যাজুয়েট:
প্রতি মাসে ৭০০ তুর্কি লিরা, মাস্টার্স: প্রতি মাসে ৯৫০ তুর্কি লিরা, পিএইচডি: প্রতি
মাসে ১ হাজার ৪০০ তুর্কি লিরা, গবেষণার জন্য: প্রতি মাসে ৩ হাজার তুর্কি লিরা
ভাষা: ইংরেজি বা তুর্কি ভাষায় দক্ষতা
থাকতে হবে
প্রোগ্রামের সময়কাল: আন্ডারগ্র্যাজুয়েট লেভেলে ৪–৬ বছর, মাস্টার্স
লেভেলে ২ বছর এবং পিএইচডি ৪ বছর
একাডেমিক স্কোর: স্নাতকে ন্যূনতম ৭০%,
মাস্টার্স এবং ডক্টরেটে ন্যূনতম ৭৫%, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান (মেডিসিন, ডেন্টিস্ট্রি ও ফার্মেসি)
ন্যূনতম ৯০%
আবেদনে যা যা লাগবে: বৈধ পাসপোর্ট, সাম্প্রতিক
সময়ে তোলা আবেদনকারীর একটি ছবি, জাতীয় পরীক্ষার ফলাফল, ডিপ্লোমা অথবা অস্থায়ী পরীক্ষার
সার্টিফিকেটে, ট্রান্সক্রিপ্ট, আন্তর্জাতিক পরীক্ষার ফলাফল (GRE, GMAT, SAT ইত্যাদি)
যুক্ত করতে হবে যদি নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চেয়ে থাকে, প্রযোজ্য
ক্ষেত্রে ভাষাগত দক্ষতার (TOEFL, DELF) সনদ।
পিএইচডি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে একটি গবেষণার
প্রপোজাল এবং প্রার্থী ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছেন, এমন একটি গবেষণার প্রমাণ দাখিল করতে
হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো – ০২.০১.২০২৫