ভারতে স্কলারশিপ; কত ধরণের অফার থাকছে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৫, ১১:১০

ভারত সরকার প্রতিবছর বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বৃত্তি প্রদান করে, যা তাদের উচ্চশিক্ষা অর্জনে সহায়তা করে। এই বৃত্তিগুলো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সঠিক সময়ে আবেদন করে এই সুযোগগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে।
১. অটল বিহারী বাজপেয়ী জেনারেল স্কলারশিপ স্কিম
ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর
নামে প্রতিষ্ঠিত এই বৃত্তি বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত।
এই স্কিমের আওতায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বৃত্তি প্রদান
করা হয়। প্রতি বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী এই বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হন। আবেদনকারীদের
শিক্ষাগত যোগ্যতা, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা এবং অন্যান্য মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়।
২. ড. এ.পি.জে. আবদুল কালাম কমনওয়েলথ স্কলারশিপ
স্কিম
ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ড. এ.পি.জে. আবদুল কালামের
নামে এই বৃত্তি কমনওয়েলথভুক্ত দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদান করা হয়। বাংলাদেশি
শিক্ষার্থীরা এই স্কিমের আওতায় স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি
ও অন্যান্য ক্ষেত্রে পড়াশোনার সুযোগ পায়। আবেদনকারীদের শিক্ষাগত উৎকর্ষ, গবেষণা প্রস্তাবনা
এবং অন্যান্য মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়।
৩. BIMSTEC দেশের জন্য আয়ুশ স্কলারশিপ স্কিম
বাংলাদেশসহ BIMSTEC সদস্য দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য
আয়ুষ মন্ত্রণালয় এই বৃত্তি প্রদান করে। আয়ুর্বেদ, যোগ, ইউনানি, সিদ্ধা ও হোমিওপ্যাথি
(AYUSH) বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য এই বৃত্তি দেওয়া হয়।
আবেদনকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগ্রহ বিবেচনা করা হয়।
৪. সুবর্ণ জয়ন্তী স্কলারশিপ স্কিম
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে এই
বিশেষ বৃত্তি চালু করা হয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে
স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার জন্য এই বৃত্তি পেতে পারেন।
আবেদনকারীদের শিক্ষাগত ফলাফল, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং অন্যান্য মানদণ্ড বিবেচনা করা
হয়।
৫. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের জন্য আয়ুশ স্কলারশিপ
স্কিম
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য
আয়ুষ মন্ত্রণালয় এই বৃত্তি প্রদান করে। আয়ুর্বেদ, যোগ, ইউনানি, সিদ্ধা ও হোমিওপ্যাথি
বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য এই বৃত্তি দেওয়া হয়। আবেদনকারীদের
শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগ্রহ বিবেচনা করা হয়।
সুবিধাসমূহ:
টিউশন ফি: সম্পূর্ণ বা আংশিক টিউশন ফি মওকুফ।
বাসস্থান: বিশ্ববিদ্যালয় হোস্টেলে বাসস্থানের ব্যবস্থা।
ভাতা: নিয়মিত মাসিক ভাতা প্রদান।
স্বাস্থ্যসেবা: মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা।
যোগ্যতা:
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পূর্ববর্তী শিক্ষাগত যোগ্যতা।
ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা।
বয়সসীমা: সাধারণত ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।
স্বাস্থ্যগতভাবে সুস্থ হতে হবে।