বাংলাদেশে আইটির যে কোর্সগুলো দেবে বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকরী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৫৫

বাংলাদেশের আইটি ও প্রযুক্তি খাতে পড়ালেখা করলে বিদেশে চাকরির সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিখাতে দক্ষ জনবল এর চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।
বিদেশে চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আইটি ও প্রযুক্তি
বিষয়ক কোর্সসমূহ
১. সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও প্রোগ্রামিং
কোর্স: Python, Java, JavaScript, C++, C#,
Swift
চাকরির ক্ষেত্র: Software Engineer, Backend
Developer, Mobile App Developer, Web Developer
২. ক্লাউড কম্পিউটিং ও সাইবার সিকিউরিটি
কোর্স: AWS, Google Cloud, Microsoft Azure,
Cybersecurity Fundamentals
চাকরির ক্ষেত্র: Cloud Engineer, Security
Analyst, DevOps Engineer
৩. ডাটা সায়েন্স ও মেশিন লার্নিং
কোর্স: Data Science with Python, Machine
Learning, Deep Learning, AI Development
চাকরির ক্ষেত্র: Data Scientist, Machine
Learning Engineer, AI Researcher
৪. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও ফ্রন্ট-এন্ড/ব্যাক-এন্ড ডেভেলপমেন্ট
কোর্স: HTML, CSS, JavaScript (React.js,
Angular, Vue.js), Node.js, Express.js
চাকরির ক্ষেত্র: Web Developer, Full Stack
Developer
৫. ইউএক্স (UX) ও ইউআই (UI) ডিজাইন
কোর্স: Adobe XD, Figma, Sketch, UI/UX
Principles
চাকরির ক্ষেত্র: UX/UI Designer, Product
Designer
৬. ব্লকচেইন প্রযুক্তি
কোর্স: Ethereum, Smart Contracts, Solidity,
Blockchain Development
চাকরির ক্ষেত্র: Blockchain Developer, Crypto
Analyst
৭. নেটওয়ার্কিং ও আইটি সাপোর্ট
কোর্স: CCNA, CCNP, ITIL, CompTIA+
চাকরির ক্ষেত্র: IT Support Engineer, Network
Administrator
৮. গেম ডেভেলপমেন্ট
কোর্স: Unity, Unreal Engine, Game Programming
চাকরির ক্ষেত্র: Game Developer, AR/VR
Developer
বিদেশে চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার্টিফিকেশন
বিদেশে চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ায় বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন করা হলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। যেমন:
AWS Certified Solutions Architect
Google Associate Cloud Engineer
Microsoft Azure Fundamentals
Certified Ethical Hacker (CEH)
CompTIA Security+
PMP (Project Management Professional)
বিদেশে চাকরির জন্য অতিরিক্ত টিপস
ফ্রিল্যান্সিং ও রিমোট জব: শুরুতেই ফ্রিল্যান্সিং
(Upwork, Fiverr, Toptal) বা রিমোট জব খোঁজার মাধ্যমে অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে বিদেশি চাকরির
জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক তৈরি করা: LinkedIn প্রোফাইল
আপডেট রাখা, GitHub-এ প্রজেক্ট প্রকাশ করা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কনফারেন্সে
যোগ দেওয়া।
ইংরেজির দক্ষতা: ভালো যোগাযোগ দক্ষতা চাকরি পাওয়ার
ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। IELTS/TOEFL ভালো স্কোর থাকলে বাড়তি সুবিধা পাওয়া
যায়।
বাংলাদেশের আইটি ও প্রযুক্তি খাত থেকে আন্তর্জাতিক
বাজারে ভালো চাকরি পাওয়ার জন্য উন্নত স্কিল অর্জন, আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন এবং গ্লোবাল
নেটওয়ার্কিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রিল্যান্সিং, রিমোট জব এবং স্টার্টআপ ভিত্তিক
কাজ করেও আন্তর্জাতিকভাবে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব।
মাইগ্রেশন
কনসার্ন রিপোর্ট