
ভুয়া নথি জমা দিয়ে ইতালিতে কেউ ‘স্টে পারমিট’ বা বসবাসের অনুমতি নিলে তাকে কঠোর শাস্তি দেয়া যাবে বলে জানিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত৷ এ সংক্রান্ত একটি মামলাকে কেন্দ্র করে ইতালির উত্তরের শহর ভিসেন্জার একজন বিচারক সাংবিধানিক আদালতের কাছে বিষয়টি জানতে চান৷
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের একটি দেশ থেকে আসা এক অভিবাসী, দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের অনুমতি পেতে ইতালি পুলিশের কাছে ইতালির ভাষা জানার একটি ভুয়া নথি জমা দিয়েছিলেন দেশটিতে৷
ইতালির আইনে সাধারণত যারা ভুয়া বা নকল নথি তৈরি করেন তাদের এসব যারা ব্যবহার করেন তাদের চেয়ে কঠোর সাজা দেয়া হয়৷
ভিসেন্জার বিচারক সাংবিধানিক আদালতের কাছে জানতে চান যে নকল নথি ব্যবহারকারীদেরকেও কঠোর শাস্তি দেয়া যাবে কিনা এবং তা দেয়া হলে ইতালির সংবিধানের কোনো ব্যতয় ঘটবে কি না৷ এক্ষেত্রে তিনি সুনির্দিষ্ট কিছু ধারাও উল্লেখ করেছেন৷
তবে সাংবিধানিক আদালত জানিয়েছে যে অভিবাসন সম্পর্কিত নকল নথির ক্ষেত্রে কঠোর সাজা কী হবে তা নির্ধারণে আইন প্রণেতাদের কোনো সাংবিধানিক বাধা নেই৷ কারণ এ ধরনের নথি রাষ্ট্রের স্বার্থকে এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অভিবাসন ব্যবস্থাপনাকে আক্রান্ত করছে৷
সাংবিধানিক আদালত এটাও মনে করে যে বসবাসের অনুমিত পেতে নকল নথি জমা দেয়া এ ধরনের নকল নথি বানানোর চেয়ে ছোট অপরাধ নয়৷
আদালত বিবৃতিতে জানিয়েছে যে ‘স্টে পারমিট’ পেতে নকল নথি যারা জমা দেন তারা এ ধরনের নকল নথি যারা তৈরি করেন তাদেরকে নিজেদের তথ্য দিয়ে সহায়তা এবং প্ররোচিত করেন৷
আদালত এই রায়ও দিয়েছে যে নকল নথি প্রদানের মাধ্যমে একজন মানুষ স্টে পারমিট নিচ্ছেন অথচ তার সেটা পাওয়ার অধিকার নেই৷ সুতরাং নথি নকল করা সেটি পুলিশের কাছে কোনো উদ্দেশ্যে জমা দেয়ার আগ অবধি একটি প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ৷ ফলে এক্ষেত্রে অভিবাসন আইনে কোনো অসঙ্গতি দেখছে না ইতালির সাংবিধানিক আদালত৷
তথ্যসূত্র: ইনফো মাইগ্র্যান্টস