Logo
×

Follow Us

উত্তর আমেরিকা

ট্রাম্পের গোল্ড কার্ড সুপার হিট! প্রতিদিন গড়ে বিক্রি ১০০০

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৫, ১১:৩১

ট্রাম্পের গোল্ড কার্ড সুপার হিট! প্রতিদিন গড়ে বিক্রি ১০০০

পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেললেই হাতে হাতে আমেরিকার নাগরিকত্ব। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই গোল্ড কার্ড অফার নাকি এর মধ্যেই দারুণ হিট। এমনটাই দাবি করছেন ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তনের পর একাধিক নীতি নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিবাসন নীতিতে এনেছেন পরিবর্তন। তারই মধ্যে একটি হলো এই ‘গোল্ড কার্ড’, যা আমেরিকায় নাগরিকত্বের প্রমাণ। ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রায় সাড়ে ৬১ কোটি টাকা খরচেই মিলবে স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাস করার সুযোগ। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ঘোষণার পর থেকেই জমজমাট বিক্রবাট্টা নাগরিকত্বের ছাড়পত্র অর্থাৎ এই গোল্ড কার্ডের। 

মার্কিন কমার্স সেক্রেটারির দাবি, প্রতিদিন গড়ে হাজারটা করে গোল্ড কার্ড বিক্রি হচ্ছে। একটি পডকাস্ট শোয়ে এসে এমনটাই জানিয়েছেন, কমার্স সেক্রেটারি হোওয়ার্ড লুটনিক। তিনি বলেন, ‘সরকারিভাবে আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে শুরু হবে এই কার্ডের কাজ। ইলন মাস্ক এর জন্য একটি আলাদা সফটওয়্যার তৈরি করছে। সেই কাজ শেষ হতে দু’সপ্তাহ লাগবে। যদিও আমি গতকালই হাজারটা গোল্ড কার্ড বিক্রি করেছি।’ ফলে মার্কিন অর্থনীতিতেও আসছে দারুণ শুভ দিন বলে দাবি কমার্স সেক্রেটারির।

গোল্ড কার্ডের সুবিধা বর্ণনায় লুটনিকের ব্যাখ্যা, ‘আমেরিকার নাগরিক হলে তাকে গ্লোবাল ট্যাক্স দিতে হয়। এবার বাইরে থেকে যিনি আসছেন, তিনি তো আর গ্লোবাল ট্যাক্স দিতে এ দেশে আসবেন না। কিন্তু এবার পকেটে যদি গোল্ড কার্ড থাকে কোনো রকম ট্যাক্স না দিয়েই সে আমেরিকার নাগরিক হয়ে যাবে। যাদের পকেটে এই পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থাকবে, তারা তো আর এলেবেলে মানুষ হবেন না। তাই এতে অসুবিধাও নেই।’

ট্রাম্প প্রশাসনের হিসাব ও গবেষণা অনুযায়ী, সারাবিশ্বের সাড়ে ৩ কোটি মানুষের এই গোল্ড কার্ড কেনার ক্ষমতা আছে। সে ক্ষেত্রে গোল্ড কার্ড বিক্রি করে বিপুল অর্থ আসবে আমেরিকার কোষাগারে। একই সঙ্গে গোল্ড কার্ডের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া মানুষদের কর দানের বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন মার্কিন কমার্স সেক্রেটারি। তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গোল্ড কার্ডের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া বাসিন্দারা আমেরিকার বাইরে থেকে যা উপার্জন করবেন তাতে কোনো ট্যাক্স দিতে হবে না। কিন্ত যদি তিনি আমেরিকাতেই কোনো চাকরি বা ব্যবসা করেন, তাহলে সেই আয়ের উপর মার্কিন নীতি মেনে ট্যাক্স দিতে হবে সেই নাগরিককে।

তথ্যসূত্র: এই সময় অনলাইন

Logo